
ঋণের নামে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ২৮৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে, যাদের অধিকাংশই কাগুজে বা নামসর্বস্ব। এই বিপুল অঙ্কের অর্থ বেরিয়ে গেছে ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে, যথাযথ যাচাই-বাছাই ও জামানত ছাড়াই ঋণ অনুমোদনের মাধ্যমে।
ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে এসব ঋণ বিতরণ করা হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব অস্তিত্ব যাচাই না করেই ঋণ দেওয়া হয়, ফলে এখন সেগুলো পুরোপুরি খেলাপি হয়ে পড়েছে এবং আদায়ের কোনো কার্যকর উপায় নেই।
এ ঘটনায় ব্যাংকের প্রায় ১৪৮ জন কর্মকর্তা জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। কারা এই ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী—তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই কেলেঙ্কারির ফলে ব্যাংকটি বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছে, একই সঙ্গে আমানতকারীদের অর্থও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদক।