
সরকার পিয়ার মাহমুদ
প্রকৃতির অপরূপে ঘেরা রূপসী এ বাংলাদেশ।
রূপে রূপে মিশে উঠেছে গড়ে রূপের পরিবেশ।
পূর্ব দিগন্তে প্রতিদিন নিয়ত ওঠে রক্তিম রবি।
সে রবির আলোয় হাসে তোমারই রূপের ছবি।
প্রতি প্রতুষ্যে ঘুম ভেঙ্গে যায় আযানের শান্ত সুরে।
সে সুরের অমেয সুধায় মানুষের অন্তর যায় ভরে।
পাখির কোলাহলে বাঁশ বাগানে বসে আনন্দ মেলা।
সে মেলায় নেচে নেচে পাখিরা আনন্দে করে খেলা।
কবি জীবনানন্দ নাম রেখেছে রূপসী বাংলাদেশ।
যতই দেখি স্বদেশের রূপ তবু রূপের হয়না শেষ।
নদীর বালু চরে কাশ ফুলেরা রূপ ছড়িয়ে হাসে।
কবি বন্দে আলীর কলমিলতা বিলের জলে ভাসে।
রাতে জ্বলে বাঁশ বাগানে পূর্ণিমা চাঁদের দীপ্ত ঝলক।
উঠনে বসে শিশুরা শোনে কাজলা দিদির শ্লোক।
হাওয়ায় দোলে ক্ষেতের ফসল মাঠ আঙ্গিনা জুড়ে।
এমন রূপসী দেশ পাবেনা খুঁজে, সারা জগৎ ঘুরে।
আছে সবুজ-শ্যামল বন-বনানী দেশের চারপাশে।
বহুরূপে তারা জননীকে সাজায়, নতুন নতুন সাজে।
রাঙামাটি, কুয়াকাটা, খুলনায় আছে বৃহৎ সুন্দরবন।
জননীর রূপকে বাড়ায় তারা বিলিয়ে আপন ধন।
ষড় ঋতুর রূপ মাধুরি এদেশের অঙ্গে অলংকার।
প্রকৃতি কন্যা জাফলং এদেশের রূপের অহংকার।
নদীর বুকে পাল উড়িয়ে চলে শত শত রঙ্গিন নাও।
দাড়িয়ে আছে নদীর দুই পাড়ে সবুজ শ্যামল গাঁও।
রূপসী এ দেশের অঙ্গে লুকে আছে বহু রূপের ছবি।
যুগে যুগে শুনাবে সে রূপের গান, দেশের যত কবি।