
নাজমুল হোসেন, রাজবাড়ী
প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়কে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদানের পরিমাণ উল্লেখসহ স্পষ্ট সতর্কবার্তা যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলো। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণের এই দাবিতে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার মাধ্যমে খাদ্যমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজবাড়ী জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত অ্যাডভোকেসি সভা শেষে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়। রাজবাড়ী জেলা খাদ্য কর্মকর্তার পক্ষে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর মন্ডল। সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ‘ডাস বাংলাদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পায়াক্ট বাংলাদেশের ম্যানেজার মুজিবুর রহমান খান জুয়েল, শাপলা মহিলা উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজার খোরশেদ আলম এবং স্থানীয় দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি শেখ রাজীব। স্মারকলিপি হস্তান্তরকালে ডাস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, “অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও স্যাচুরেটেড বা ট্রান্সফ্যাটযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সাধারণ ভোক্তা যাতে জেনে-বুঝে খাবার কিনতে পারেন, সে জন্য প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারে এসব উপাদানের মাত্রা কতখানি—তা মোড়কের সামনে স্পষ্ট ভাষায় লিখে দেওয়া জরুরি।” প্রতিনিধি দলটি আশা প্রকাশ করেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকার দ্রুত প্যাকেটজাত খাদ্যের মোড়ক নীতিমালায় বাধ্যতামূলক সতর্কবার্তা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেবে।
প্রতিবেদন ও ছবি: ২০/আগস্ট /২০২৬ নাজমুল হোসেন