
মোঃ রফিকুল ইসলাম
একাত্তরে পাক-হানাদার গ্রামের পাশেই ক্যাম্প বসালেন।
পাক দালালের নজরে পড়লো রূপসী দুরন্ত ষোড়শী কন্যা।
জীবন নাশের হুমকিতে নিরুপায় বাবা একদিন
তার আদরের কন্যাকে তুলে দিলেন পাক-বাহিনীর হাতে।
স্বাধীনতার সিদ্ধান্তে একবারও দমেনি বাবা ও কন্যা।
ধর্ম রাষ্ট্রের নরপশুদের সীমাহীন নারকীয় তান্ডবে ক্ষত,
অসুস্থ অন্তঃসত্ত্বা শরীরে কন্যা একদিন বাড়ি ফিরলেন!
ষোড়শী কন্যার অন্তঃসত্ত্বায় আঁতকে ওঠেন বাবা!
বিড়বিড়ে ঠোঁট নাড়ে.. স্নেহের পরশে হাত বুলায়,”তবুও কন্যা আমার বেঁচে থাক!
” সমাজের হাজারো কটুবাক্য উপেক্ষা করে একদিন ছেলে সন্তানের জন্ম হলো।
মায়ের ছেলে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে, সংসার বাঁধে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগে মাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে কাঁদে।
তিমির রাত্রি..অন্তরাত্মার গহীনে কুমারী মায়ের আর্তনাদে আমার ঘুম আসেনা..
আমার ঘুম আসেনা!
