[bangla_day], [bangla_time], [bangla_date]

[bangla_day], [bangla_time], [bangla_date]

হোম খবর

পবিত্র আশুরার শিক্ষা সম্প্রীতি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার: https://www.timebulletin24.com/news/x5gwyd

ঢাকা, ২৫ জুন ২০২৬ (বাসস) — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আগামীকাল পবিত্র আশুরা (১০ মহররম) উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন, যা শুধু শোক ও স্মরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ এবং নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করে এসেছে। মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালা দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ১৪শ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদত বরণ করেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এ ছাড়া তিনি এই শোকাবহ দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো আবশ্যক।

শেয়ার করুন