
বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের মানচিত্র
ডেস্ক নিউজ:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে একের পর এক হতাহতের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের প্রভাব সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সর্বশেষ বুধবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হন। এর কয়েকদিন আগেও একই এলাকায় আরেকজনের মৃত্যু হয়। এর আগে গত ২৪ মে নাইক্ষ্যংছড়ির ভালুকিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে একজন রোহিঙ্গাসহ চারজন নিহত হন।
এদিকে, সীমান্তবর্তী টেকনাফ এলাকায় জেলেদের অপহরণের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ফলে সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের মানচিত্র
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় কীভাবে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে এবং এসব বিস্ফোরক কীভাবে সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ, সীমান্তবর্তী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।