, ,

, ,

হোম খবর

হত্যাচেষ্টা মামলায় আসামি জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল

শেয়ার: https://www.timebulletin24.com/news/gqk6n7

ঢাকা: ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবী থানায় গত ২১ জুলাই মামলাটি দায়ের করেন এই সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান। ওবায়দুর রহমান সংসদ সদস্যের পরিচয় দেওয়া দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমের আপন মামা।


মামলার মূল বিষয়সমূহ

  • আসামিদের তালিকা: সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম (৭৪), তাঁর সহযোগী আমিনুর রহমান, মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোস্তাসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।
  • গ্রেপ্তার ও আইনি পদক্ষেপ: মামলায় এজাহারনামীয় আসামি আমিনুর রহমানকে পুলিশ ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত আসামি আমিনুরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

হামলার নেপথ্য কারণ

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওবায়দুর রহমান নজরুল ইসলামের অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করেন। সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র ওই অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও নিয়ে এমপিকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করলে, নজরুল ইসলাম সন্দেহ করেন ওবায়দুরই গোপনে ভিডিও ধারণ করে গণমাধ্যম ও ব্ল্যাকমেলারদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।

সেই সন্দেহের জেরে গত ১৪ জুলাই বেলা ১১টার দিকে পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ ডেকে নিয়ে আসামিরা ওবায়দুরকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে গলাচেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হলে স্বজনদের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।


বিতর্ক ও দল থেকে বহিষ্কার

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর হয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সম্প্রতি এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হলে জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রথমে সেটিকে এআই-নির্মিত বলে দাবি করা হয়।

তবে পরবর্তীতে নজরুল ইসলাম নিজেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জানান, গত ১৭ জুন পরিবার ও প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে ওই তরুণীকে (মরিয়াম বেগম) তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছেন।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে গত বুধবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো আবশ্যক।

শেয়ার করুন